নিজস্ব সংবাদদাতা: এখন এক মহাবিপর্যয়ের মুখোমুখি আমরা। একের-পর-এক ঘূর্ণিঝড়, দাবানল, বন্যা, খরা, অতিবৃষ্টি, অনাবৃষ্টি, মেঘভাঙা বৃষ্টি, হড়পা বান— সবকিছুর মোকাবিলা করতে হচ্ছে। তবে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন সংস্থা বা গবেষকরা বলছেন, এই বিপর্যয়ের মুখোমুখি হয়ে ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছে বিশ্বের প্রথম সারির বেশ কিছু শহর। বিশ্বের ৭২ টি বড় শহর বিপর্যয়ের মুখোমুখি হয়েছে সবচেয়ে বেশি। জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে কাজ করে, এমন একাধিক গবেষণা বলছে, প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত রয়েছে এই সব শহর।

কীভাবে মোকাবিলা?
বিপর্যয় মোকাবিলার প্রথম ও প্রধান পদক্ষেপ হল— আগে থেকে সতর্ক করা। উপকূলবর্তী এলাকার মানুষজনকে আগাম সতর্ক করে তাঁদের জন্য নিরাপদ আশ্রয়ের বন্দোবস্ত করা। যাতে, ঘূর্ণিঝড় আছড়ে পড়লেও প্রাণ সংশয় হয় না সেখানকার মানুষজনের। নদী ভাঙনের ক্ষেত্রেও আগে থেকে যথাযথ পদক্ষেপ করা হচ্ছে এখন। কথায় আছে, পদ্মাতীরে বাস নিত্য সর্বনাশ। অর্থাৎ, ভাঙন হবেই, তাকে প্রতিরোধ করা যাবে না। তবু নদীপাড়ে বোল্ডার দিলে, ভাঙনের ভয়াবহতা কিছুটা কমানো যায়। এছাড়াও বেশ কিছু পদক্ষেপ করা হচ্ছে। পদক্ষেপের কথা ভাবা হচ্ছে। যেমন আমাদের সু্ন্দরবন এলাকার মানুষজনকে অন্যত্র পুনর্বাসন দেওয়ার দাবিও উঠেছে। আগে যেমন ঘূর্ণিঝড় এলে তা গাছপালা, জঙ্গলে প্রতিহত হত। ফলে, যে গতিতে স্থলভাগে আছড়ে পড়ত, সেই গতি কিছুটা হলেও কমত। এখন গাছপালা, বন-জঙ্গল সব কেটে সাফ করে দেওয়া হয়েছে। তাই ঘূর্ণিঝড়ের ক্ষয়ক্ষতিও আগের চেয়ে বেড়েছে। এই পরিস্থিতিতে, পাকা বাঁধ তৈরি করলে সমস্যার সুরাহা হবে x`না। উপকূলবর্তী মানুষজনকে সেখান থেকে সরিয়ে অন্যত্র পুনর্বাসন দিতে হবে।

প্রবল গরমে তেতে ওঠে শহর-গ্রাম। এর মোকাবিলায় একরের-পর-একর জমিতে গাছ লাগানো হচ্ছে। শহরাঞ্চলেও ব্যাপক বৃক্ষরোপণ হচ্ছে। বেড়ে চলা ব্যক্তিগত গাড়িতেও রাশ টানা হচ্ছে। অড নাম্বার আর ইভেন নাম্বার অনুযায়ী কোনদিন কোন গাড়ি রাস্তায় বেরোবে আর কোনদিন কোন গাড়ি বেরোবে না, তা নিয়ে নির্দেশিকা জারি হচ্ছে।

Translate »