নিজস্ব সংবাদদাতা: ভারতের উত্তরাখণ্ডে গঙ্গোত্রী হিমবাহের গোমুখ থেকে বেরিয়েছে আমাদের গঙ্গা নদী। এই নদীটিকে আমরা ‘মা’ বলে সম্বোধন করি। ভারতের দীর্ঘতম এই নদীটির দৈর্ঘ্য প্রায় ২৫২৫ কিলোমিটার। হিন্দুরা দেবীজ্ঞানে পুজো করে গঙ্গানদীকে।

আদি বৈদিক যুগ বা ঋগ্বেদের যুগে গঙ্গা নয়, সিন্ধু ও সরস্বতী নদীকেই মনে করা হত পবিত্র নদী। কিন্তু পরবর্তী তিন বেদে গঙ্গার উপরেই অধিক গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। তারপর, মৌর্য থেকে মুঘল সাম্রাজ্য পর্যন্ত অধিকাংশ ভারতীয় সভ্যতার প্রাণকেন্দ্র ছিল গাঙ্গেয় সমভূমি।

মেগাস্থিনিস (৩৫০—২৯০ খ্রিস্ট পূর্বাব্দ) প্রথম ইয়োরোপীয় পর্যটক, যাঁর রচনায় গঙ্গার উল্লেখ আছে। তাঁর লেখা ‘ইন্ডিকা’ বইটিতে গঙ্গার নদীর উল্লেখ পাওয়া যায় বহুবার। উৎস থেকে মোহনা পর্যন্ত সম্পূর্ণ এই নদীটি হিন্দুদের কাছে অত্যন্ত পবিত্র। গঙ্গার স্নানকে হিন্দুরা পুণ্য কর্ম বলে মনে করে। হিন্দুরা পূর্বপুরুষদের তর্পণ করে মা-গঙ্গায়।
এই গঙ্গা নদী নিয়ে আদি শঙ্করাচার্য রচনা করেছেন, গঙ্গাস্তোত্রম।

Translate »